গাইবান্ধায় বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি: ২ শিশুর মৃত্যু
আবু বক্কর সিদ্দিক, গাইবান্ধা
অ+ অ-প্রিন্ট


গাইবান্ধার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটেছে। গত ২ দিন ধরে ঘাঘট ও ব্রক্ষ্মপুত্র নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বন্যার পানিতে ডুবে সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নে বুধবার রাতে স্বপ্না খাতুন  বৃহস্পতিবার দুপুরে ফুলছড়ি উপজেলার কাবিলপুরে পিনহা নামে ২ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বন্যা কবলিত এলাকার পানিবন্দী মানুষ-জন খাদ্য ও বিশুদ্ধ পানি সংকট, পয়ঃনিস্কাশন ব্যবস্থাসহ নানা সমস্যায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। গবাদি পশু, হাঁস-মুরগী নিয়েও তাদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। বন্যার পানি বৃদ্ধি পাওয়ার সাথে নদী ভাঙ্গন তীব্র আকার ধারণ করেছে। বিশেষ করে সদর উপজেলার কামারজানী ইউনিয়নের গোঘাট এলাকায় অব্যাহত ভাঙ্গনে এখন বিপন্ন বলে জেলা প্রশাসন সুত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। এ পর্যন্ত জেলার ফুলছড়ি, সাঘাটা, সুন্দরগঞ্জ ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার ২৯টি ইউনিয়নে ১শ’ ৯০টি গ্রামের ২ লাখ ১০ হাজারসহ নতুন করে আরো ১২ হাজার ৭শ’ বসতবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ২৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্রে সাড়ে ৩ হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছেন। এদিকে, ২শ’ ৪১ হেক্টর জমির পাট, আউশ ধান, আমন বীজতলা ও শাক-সব্জি বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এতে ৮১ কিমি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বন্যার পানিতে নিমজ্জিত হওয়ায় ৪টি উপজেলার ১শ' ২৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানা গেছে।


১৪ জুলাই, ২০১৭ ১১:৫৫:২৮