কানাডায় ডাক্তাররা স্বাস্থ্য তথ্যের চেয়ে ওষুধ দিতেই অভ্যস্ত
অ+ অ-প্রিন্ট
কানাডায় বসবাসরত বয়সে প্রবীন বাঙালীদের সমস্যা অনেক। ডাক্তাররা স্বতস্ফুর্তভাবে রোগীদের কোনো তথ্য দেয় না। স্বাস্থ্য তথ্যের চেয়ে ওষুধ দিতেই অভ্যস্ত। প্রবীনদের শুধু স্বাস্থ্যগত সমস্যা নয়, ভাষাগত সমস্যাও আছে। ডাক্তারের সাথে ইংরেজী ভাষায় সব সমস্যার কথা বুঝিয়ে বলা যেমন সবার পক্ষে সম্ভব হয় না, তেমনি ডাক্তার কি বলেন, তাও বোঝা যায় না অনেক সময়। আর এতে সমস্যার প্রকৃত সমাধান হয়ে ওঠে না। প্রবীনদের স্বাস্থ্য সেবার বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বেঙ্গলি ইনফরমেশন এন্ড এমপ্লয়মেন্ট সার্ভিসেস (বায়েস) আয়োজিত কর্মশালায়। ২৭ সেপ্টেম্বর, বুধবার টরন্টোর ৩০০০ ডেনফোর্থস্থ মিজান কমপ্লেক্স অডিটরিয়ামে এটি অনুষ্ঠিত হয়। উডগ্রীণ কমিউনিটি সার্ভিসেসের সহায়তায় এ অনুষ্ঠানে কমিউনিটির প্রায় অর্ধশতাধিক প্রবীন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেন।

উডগ্রীণ কমিউনিটি সার্ভিসেসের হেল্থ ফেসিলিটেটর পুর্নিমা গুপ্ত কর্মশালায় প্রবীনদের স্বাস্থ্যসেবার বিভিন্ন বিষয় উপস্থাপন করেন। তিনি বলেন, রোগীদের অনেকেই জানেননা, তাঁর নিজের কি ভুমিকা, আর ডাক্তারের কি ভুমিকা। তিনি আরও বলেন, জানতে না চাইলে কানাডায় ডাক্তাররা স্বতস্ফুর্তভাবে রোগীদের কোনো তথ্য দেন না। সেজন্য রোগীর দায়িত্ব হচ্ছে তথ্য জেনে নেওয়া। কারন ওষুদের চেয়ে স্বাস্থ্য তথ্যটা অনেক বেশি গুরুত্বপুর্ণ।

অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত বিষয়গুলোকে অংগ্রগ্রহণকারীদের কাছে সাবলীল ও সুন্দরভাবে ব্যাখ্যা করেন, বায়েসের সদস্য এবং মিডিয়া ব্যক্তিত্ব আসমা আহমেদ। তিনি বলেন, যখন কেউ অসুস্থ্য হয়, তখন অনেকেই বিভিন্ন পরামর্শ দেয়। সব পরামর্শ সঠিক নাও হতে পারে। সবার কাছ থেকে তথ্য নিয়ে মুল সিদ্ধান্ত নিতে হবে ভুক্তভোগীকেই। আলোচকরা বলেন, শুধু শারিরীক ব্যায়াম যথেষ্ট নয়, শারিরীক কর্মকাণ্ড এবং সেইসাথে মানসিক সুস্থ্যতাও জরুরী। বায়েসের নির্বাহী পরিচালক ইমাম উদ্দিন আলোচনায় অংশগ্রহণনের জন্য কমিউনিটির সদস্যদের ধন্যবাদ জানান। আগামী ১৬ অক্টোবর এই ভেন্যুতে বেলা তিনটায় হেল্থ সিস্টেম নেভিগেশন  শীর্ষক একই ধরনের আরেকটি কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে।

০৪ অক্টোবর, ২০১৭ ০৯:৪৭:০৯