টরন্টো থিয়েটার প্লাস এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ এবং "সিরাজউদ্দৌলা" যাত্রার টিকিট বিক্রির উদ্বোধন
অজন্তা চৌধুরী
অ+ অ-প্রিন্ট


গত ১১ ফেব্রুয়ারী শনিবার টরন্টোর গ্রান্ড প্যালেস ব্যাঙ্কুয়েট হল এ অনুষ্ঠিত হলো “টরন্টো থিয়েটার প্লাস” নামক সংগঠনটির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ আর এর প্রথম প্রযোজনা যাত্রা "সিরাজউদ্দৌলা" এর টিকিট বিক্রয় উদ্বোধন উপলক্ষ্যে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও চা-চক্র। অনুষ্ঠানে “টরন্টো থিয়েটার প্লাস” এর কর্মকর্তা, যাত্রা "সিরাজউদ্দৌলা"-র অভিনয়শিল্পী ও কলাকুশলীবৃন্দ, বাংলাদেশী-কানাডিয়ান কমিউনিটির নেতৃবৃন্দ ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ববৃন্দ, সংগীত, নৃত্য ও আবৃতি শিল্পী ও কলাকুশলীরা সহ সমাজের নানান ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানের শুরুতে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেন “টরন্টো থিয়েটার প্লাস” এর সভাপতি রিয়েলটার মানিক চন্দ। আগত অতিথিদের স্বাগত জানিয়ে তিনি সংগঠনটি প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য এবং প্রথম প্রযোজনা হিসাবে বিখ্যাত যাত্রা "সিরাজউদ্দৌলা" কে নির্বাচনের পেছনের গল্পটি তুলে ধরেন। টরন্টো থিয়েটার প্লাস এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ এবং

তিনি বলেন দুইজন সংস্কৃতিমনা স্বপ্নবাজ মানুষের দুঃসাহস, আর টরন্টোর বাঙালীদের নতুন এবং ভালো কিছুকে সাদরে বরণ করে নেয়ার ঐতিহ্যের ফসল “টরন্টো থিয়েটার প্লাস”। টরন্টোর বাঙালী ঐতিহ্যবাহী “ঘরোয়া” রেস্টুরেন্ট এর পার্কিং লট এর পরিচিত চা এর আড্ডায় কমিউনিটিতে অনেকটাই নবাগত দুইজন মানুষের চিন্তার যে সম্মিলন হয়, তা থেকে একটি স্বপ্নের উদ্ভব ঘটে। স্বপ্নটি হচ্ছে বাংলাদেশের বাহিরে বাংলা সংস্কৃতির সর্ববৃহৎ কেন্দ্র এই টরন্টো শহরে, বাংলা সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ যাত্রা-কে তার পুর্ণ গরিমায় উপস্থাপন করা। সেই সাথে সংস্কৃতি চর্চার অন্যান্য শাখায় ও পর্যায়ক্রমে নিজেদের নিয়োজিত করা। বৈরী আবহাওয়া আর নানান ব্যস্ততার মাঝেও অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য তিনি আগত অতিথিদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। সংগঠনটির সাধারন সম্পাদক ও কোষাধ্যক্ষ রিজুয়ান রহমান "সিরাজউদ্দৌলা" আয়োজনের বিভিন্ন খুঁটিনাটি দিক তুলে ধরেন এবং আগত অতিথিদের কিছু প্রশ্নের উত্তর দেন। টরন্টো থিয়েটার প্লাস এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ এবং
এক প্রশ্নের উত্তরে রিজুয়ান জানান যে ১৮ ও ১৯ মার্চ দুইদিন দুটি মঞ্চায়নেই মঞ্চ, আলোকসজ্জা থেকে শুরু করে বাদ্যযন্ত্রের আয়োজনে দর্শকরা যাত্রার চিরাচরিত রূপটিই উপভোগ করতে পারবেন। এ ব্যাপারে বাংলাদেশের গ্রামগঞ্জের যাত্রার আদলে বিশেষ মঞ্চ নির্মাণ করা হবে এবং টরন্টোর খ্যাতনামা বাদ্যযন্ত্রীদের সাথে আলোচনা হয়েছে বলে জানান। যাত্রার অভিনয়শিল্পীরা গত প্রায় ৪ মাস ধরে নিয়মিত মহড়া করে যাচ্ছেন, আর তাঁদের পোশাক, গহনা এবং অন্যান্য আনুষাঙ্গিক জিনিসপত্র বাংলাদেশ থেকে তৈরী হয়ে ইতিমধ্যে টরন্টো এসে পৌছেছে। কমিউনিটির সবাই যাতে পরিবার-পরিজন নিয়ে সানন্দে যাত্রাটি উপভোগ করতে পারেন তাই সাধারন প্রবেশমূল্য ১০ ডলার ও মঞ্চের কাছাকাছি এবং সামনের কয়েক সারির জন্য ৩০ ডলার রাখা হয়েছে। টরন্টো থিয়েটার প্লাস এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ এবং
প্রাথমিকভাবে টিকিট পাওয়া যাবে ২৯৭৬ ড্যানফোর্থ এভিনিউ এর “এ.টি.এন মেগা স্টোর” এবং মিসিসাগার শেরিডান সেন্টারের "রাশ স্ট্রিট ফর মেন্" (২২২৫ এরিন মিলস পার্কওয়ে, ইউনিট ৭২, ফোনঃ 905-822-8087) এ। তবে শিগগিরই আরো কিছু জায়গা থেকেও টিকিট সংগ্রহের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানানো হয়। এছাড়াও 647-347-5212 (মানিক চন্দ) অথবা 416-948-6295 (রিজুয়ান) নম্বরে কল করেও টিকিট সংগ্রহ করা যাবে। ফেসবুক পেজ Toronto Theatre Plus এ গিয়েও টিকিট সম্পর্কিত সর্বশেষ তথ্য সংগ্রহ করা যাবে। এ পর্যায়ে রিজুয়ান "সিরাজউদ্দৌলা" যাত্রার উপদেষ্টামণ্ডলী, পৃষ্ঠপোষক, অভিনয়শিল্পী ও আয়োজক কলাকুশলীদের নাম প্রকাশ করে তাঁদের ধন্যবাদ জানান। সংক্ষিপ্ত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে টরন্টোর তরুণ কিছু শিল্পী তাদের আবৃত্তি, নৃত্য, সংগীত আর বাঁশির মূর্ছনায় উপস্থিত অতিথিদের চমৎকৃত করে। নাচ পরিবেশন করে সুকন্যা নৃত্যাঙ্গনের রচনা খন্দকার এবং শ্রেয়া সাহা। রাইদা ফাইরুজ মিষ্টির আবৃত্তি, অদ্রি ভট্টাচার্যর বাঁশি আর সূচনা দাস বাঁধন ও টরন্টোর জনপ্রিয় তরুণ শিল্পী রিঙ্কোর গান অতিথিদের ভূয়সী প্রশংসা কুড়ায়। অনুষ্ঠানটির সার্বিক পরিকল্পনায় ছিলেন অজন্তা চৌধুরী আর উপস্থাপনায় ছিলেন তরুণ প্রতিভাবান উপস্থাপিকা সূচনা দাস বাঁধন। শব্দনিয়ন্ত্রণ ও আলোকসজ্জায় ছিলেন রিঙ্কো।টরন্টো থিয়েটার প্লাস এর আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশ এবং


১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:৫৩:৩২